বিশ্বকাপ ফুটবল সংশ্লিষ্ট যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো বিসিএস এ আসতে পারে

১. ২০১৮ সালে ২১তম বিশ্বকাপে রাশিয়ার ভেন্যুগুলো হচ্ছে মস্কো, সেন্টপিটসবার্গ, সোচি, কাজান, ভলগোগ্রাড, সামারা, রোস্তভ, ইউকাতেরিনাবার্গ, নোভগোরদ, সারানস্ক। ফাইনাল ও উদ্বোধনী হয় মস্কোতে।

২.মস্কো শহটি মস্কোভি নদীর তীরে অবস্থিত। মস্কোর পূর্বে রাশিয়ার রাজধানী ছিল সেন্ট পিটসবার্গ।

৩.দাঁড়ির ওপর কর বসিয়েছিলেন রাশিয়ার সম্রাট পিটার দি গ্রেট। তিনিই রাশিয়াকে শক্তিশালি ইউরোপিয় কাঠামোতে প্রতিষ্ঠিত করেন।

৪.২১তম বিশ্বকাপ ফুটবলে মোট অংশগ্রহণকারি দল ৩২টি। এরমধ্যে এশিয়া ও ওশেনিয়া থেকে ৫টি, আফ্রিকা থেকে ৫টি, দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ৫টি, উত্তর ও মধ্য আমেরিকা থেকে ৩টি, ইউরোপ থেকে ১৪টি যার মধ্যে রাশিয়া হোস্ট ক্যাটাগরিতে খেলছে।

৫. ২০২২ সালে ২২তম বিশ্বকাপ হবে প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক শক্তি কাতারে।

৬. এ যাবৎ ক্লাব ও দেশের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেছেন জোসেফ বিকান – ৮০৫, রোমারিও – ৭৭২, পেলে – ৭৬৭, ফেরেঙ্ক পুসকাস – ৭৪৬, জার্ড মুলার – ৭৩৫, আবে লেনস্ত্রা – ৭৩৩।
তবে খেলা চালিয়ে যাচ্ছে এদের মধ্যে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো – ৬৭৫, লিওনেল মেসি – ৬৪৩, ইব্রাহিমোভিচ – ৩৮৮ কৌতিনহো – ৩৭৬।

৭. বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৬ গোল করে বিশ্বকাপে শীর্ষগোলদাতা জার্মানির ক্লোসা। ১৫ গোল করে দ্বিতীয় স্থানে আছে ব্রাজিলের রোনাল্ড।

৮. বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৫টি শিরোপা জিতেছেন ব্রাজিল (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২), ৪টি শিরোপা নিয়ে ২য় স্থানে আছে জার্মানি(১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০, ২০১৪) ও ইতালি (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২, ২০০৬)।

৯. ১৯৩০ সালে ১ম বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে আর রানার আপ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম গোলদাতা ফ্রান্সের লুই লরেন্টো।

১০. ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে একমাত্র হ্যাট্টিককারি ইংল্যান্ডের জউফ হাস্ট। তিনি জার্মানির বিরুদ্ধে এই হ্যাট্টিক করেন।

১১. বিশ্বকাপ ফুটবলের কনিষ্ঠ গোলদাতা ব্রাজিলের পেলে। মাত্র ১৭ বছর ২৩৯ দিনে ওয়েলসের বিরুদ্ধে তিনি এই গোল দেন।

১২. ১৯৪২ ও ১৯৪৬ দুই বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়নি।

১৩. ১৯৩৮ সালে প্রথম জার্সিতে নম্বর ব্যবহার শুরু হয়। প্রথম ব্যালে ডি অর জয় করেন ১৯৫৬ সালে ইংল্যান্ডের স্যার স্ট্যানলি ম্যাথুজ ও প্রথম ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন জার্মানির লুথার ম্যাথউস।

১৪. ২০১৮’র ২১তম বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম হ্যাট্টিক করেন পর্তুগালের রোনাল্ড।

১৫. সর্বাধিক বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছে জার্মানি ৮বার (১৯৫৪, ১৯৬৬, ১৯৭৪, ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০০২, ২০১৪), ব্রাজিল ৭বার (১৯৫০, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২), ইতালি ৬বার (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৭০, ১৯৮২, ১৯৯৪, ২০০৬), আর্জেন্টিনা ৫বার (১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪)

১৬. ১৯৫৮ সালে এক বিশ্বকাপেই ১৩ গোল করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন ফ্রান্সের জঁ ফন্তেইন (মরক্কোর অধিবাসি ফ্রান্স দলে খেলতেন)।

১৭. ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ৬ জন। তারা প্রত্যেকেই ৪টি করে গোল করেন। এর মধ্যে ব্রাজিলের ২ জন ছিল গ্যারিঞ্চা ও ভাভা।

১৮. বিশ্বকাপ আসরে সর্বাধিক (৫ বার) অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় এন্তনিয়ো কারবাজাল(মেক্সিকো), লোথার মাথায়ুস(জার্মানি), জিয়ানলুইজি বুফন (ইটালি)।

১৯. বিশ্বকাপ আসরে সর্বোচ্চ (২৯টি) ম্যাচ খেলেছেন মিরোস্লাভ ক্লোসা (জার্মানি)।

২০.এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫ টি গোল করেছেন অলেগ সালেঙ্কো (রাশিয়া)।

২১. ৩ বার বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন পেলে (ব্রাজিল)। সর্বোচ্চ ৩ টি ফাইনাল খেলেছেন কাফু (ব্রাজিল)।

২১. “ব্যাটল অব নুরেমবার্গ” নামে পরিচিত নেদারল্যান্ড বনাম পর্তুগাল(২০০৬)-এর খেলায় এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ টি হলুদ কার্ড এবং ৪ টি লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।

২২.২০১৮’র বিশ্বকাপে আলোচিত সুন্দরি ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট গ্রাভার কিতারোভিচ ।